পর্যটন বিচিত্রা ডেস্ক
মসজিদটির আয়তন ২৩.১৯ বর্গমিটার (২৫০ বর্গফুট) এবং এতে মুসল্লি ধারণক্ষমতা ২০০ জন। চমৎকার ডিজাইনে নির্মিত এ মসজিদ সম্পর্কে সঠিক কোনো ইতিহাস পাওয়া যায় না। তবে নির্মাণশৈলী দেখে অনুমান করা হয়, মসজিদটি আনুমানিক ১৫০০ খ্রিষ্টাব্দে স্থানীয় কোনো মুসলিম দরবেশ বা দিল্লির মোগল শাসকদের নির্দেশে কোনো জমিদার কর্তৃক নির্মিত। মসজিদটির ক্ষয়ে যাওয়া দেয়ালে এখনো কিছু শৈল্পিক কর্ম বিদ্যমান।
ইসলামী ঐতিহ্য অনুসারে গাছ-ফুল-লতার নকশাযুক্ত পোড়ামাটির টেরাকোটা মসজিদের সৌন্দর্য অনেকগুণ বৃদ্ধি করেছে। মসজিদটির তিনটি প্রবেশদ্বার আছে। প্রত্যেকটি দ্বারের ঠিক সামান্তরালে ছাদের মাঝামাঝি একটি করে গম্বুজ আছে।
মসজিদটির সামনের খোলা বারান্দা (সাহান) অনুচ্চ প্রাচীর দ্বারা বেষ্টিত এবং তিন ধাপবিশিষ্ট একটি ছোট সিঁড়ি দ্বারা ভূমিতে সংযুক্ত। এর দক্ষিণে একটি দ্বিতল চৌচালা স্থাপনা আছে যা ‘বিবির ঘর’ নামে পরিচিত। পুরো স্থাপনাটা নির্মিত হয়েছে চুনসুরকি ও ইট দিয়ে। দেশের অন্যান্য পুরাতন মসজিদের সাথে এই মসজিদের একটি সাধারণ ব্যতিক্রম পরিলক্ষিত হয়, তা হলো মসজিদটির সন্নিকটে কোনো বড় জলাধার বা পুকুর নেই।