পর্যটন বিচিত্রা ডেস্ক
ঈদের দিনে শুধু লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানেই নয়; উপজেলার মাধবপুর লেক, হামহাম জলপ্রপাতসহ পর্যটনকেন্দ্রগুলোতে ছিল উপচেপড়া ভিড়। ঈদের দিনের চেয়ে ঈদের দ্বিতীয় ও তৃতীয় দিন কমলগঞ্জের লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানসহ উপজেলার সবকটি পর্যটন স্পটে ছিল সববয়সী পর্যটকদের সরব উপস্থিতি।
ঈদের দিন নামাজের পর থেকে লাউয়াছড়া আর মাধবপুর লেকে পর্যটকদের বহনকারী গাড়ির সারি বাড়তে থাকে। গাড়ি থেকে নেমে তারা টিকেট সংগ্রহ করে ভেতর প্রবেশ করেছেন। টিকিট কাউন্টারের সামনে চোখে পড়ল লম্বা লাইন। সবাই নির্ধারিত মূল্যে টিকিট নিয়েই ভেতরে ঢুকে ঘোরাফেরা করছেন। অনেকে দল বেঁধে ঘুরছেন, ছবি তুলছেন। এ ছাড়া শমসেরনগরের গলফ মাঠ, ক্যামেলিয়া লেক, খাসিয়া পুঞ্জিতে শত শত পর্যটক ভিড় করছেন প্রতিদিন।
কমলগঞ্জের লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানসহ দর্শনীয় স্থান ঘুরতে সিলেট অঞ্চলের মানুষজন ছাড়াও ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ছুটে আসছেন পর্যটকরা। রয়েছে বিদেশী পর্যটকদের উপস্থিতিও। পরিবার-পরিজন নিয়ে যারা ঘুরতে এসেছেন, তারা সঙ্গে ইকো-টুরিস্ট গাইড নিয়ে ঘুরে ঘুরে প্রকৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ার চেষ্টা করছেন। আর দল বেঁধে আসা লোকজন আনন্দ-উল্লাসে মেতে ছবিতে স্মৃতির ফ্রেমবন্দি করছেন। তাদের নিরাপত্তায় তৎপর ছিল টুরিস্ট পুলিশের সদস্যরা। বনের ভেতর এবং বাহিরে ছিল টুরিস্ট পুলিশের অবস্থান।
কমলগঞ্জ থানার ওসি সৈয়দ ইফতেখার হোসেন বলেন, ঈদে কমলগঞ্জ উপজেলার সকল পর্যটনকেন্দ্রে পর্যটকদের নিরাপত্তায় এবং সব ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে টুরিস্ট পুলিশের পাশাপাশি পুলিশের টহল দল মাঠে রয়েছে। কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাখন চন্দ্র সূত্রধর বলেন, পর্যটকদের নিরাপত্তায় উপজেলা প্রশাসন সার্বক্ষণিক নজরদারি করছে।